Subscribe Us

ads header

Breaking News

বন্যার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় হুমকীর মুখে ফরিদপুর টু গোয়ালন্দ বেড়িবাধ: এলাকাবাসীর প্রানের দাবী- দ্রুত গতিতে বেড়িবাধ সংরক্ষণের যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।


বন্যায় ফরিদপুর জেলার সদর উপজেলার অম্বিকাপর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডে হটাৎ বাজার কাচারীটেক এলাকায় ফরিদপুর-গোয়ালন্দ বেড়িবাধটি  তিন যায়গায় ফাটল দেখা দেয়। এই সময় এলাকাবাসির সহযোগীতায় চ্যানেল দৃষ্টি অনুসন্ধান করে এর সত্যটা প্রমাণ পায়।

ফরিদপুর শহর ও অম্বিকাপর, ইশান গোপালপুর, চরমাধবদিয়, ও উজানচর ইউনিয়ন ভয়াল বন্যার কবল থেকে রক্ষার্থে ১৯৮৬ সালে এই বেড়িবাধটি নির্মাণ করা হয়। ফলে প্রায় ১০ লক্ষ মানুষ ভয়াল বন্যা থেকে পরিত্রাণ পায়। এর পরবর্তীতে ১৯৮৮ সালে বন্যায় হটাৎ বাজার এলাকায় বেড়িবাধটি ভেঙ্গে যায়। এরপর প্রায় সহস্রাধিক মানুষের প্রায় তিন মাস পরিশ্রমে নিরামত করা হয়। এর পর বেশ কয়েকবার বাধটিসংস্করণ করা হয়।
গত কয়েকদিনে ক্রমাগত বন্যার পানি বৃদ্ধিতে বাধটি হুমকীর মুখে। হটাৎ বাজার - কাচারীটেক এলাকায় বেশ কিছু যায়গায় বাধটি ধসে পড়ছে। এছাড়া বেশ কিছু যায়গায় ধসে পড়েছে। এমনতাবস্থায় উক্ত যায়গাগুলো অতি দ্রুত মেরামত ও সংস্করণ না করলে এই দুঃসময়ে চরম বিপাকে পড়বে প্রায় অর্ধ লক্ষ মানুষ। নদীগর্ভে বিলীন হতে পারে প্রায় দশ হাজার হেক্টর ফসলী জমি, রকি পোল্ট্রী ফার্মসহ চারটি পোল্ট্রি ফার্ম, মৎস খামার, ডেইরী খামার, একটি কমিউনিটি হাসপতাল, চারটি প্রাথমিক বিদ্যালয়, একটি উচ্চ বিদ্যালয়, ছয়টি পাকা মসজিদসহ আটটি মসজিদ। এতে প্রায় দুইশ কোটি টাকা ক্ষতির সম্ভবনা রয়েছে। এছাড়া ফরিদপুর সদর ও গোয়ালন্দ উপজেলার অধিকাংশ অঞ্চল পানিতে ভেসে যাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।

বর্তমানে কোরবানীগরু বহনকারী বড় ট্রাক, মাটির ট্রাক, লরীসহ অনেক ভারী যানবহন বেরিবাধ দিয়ে চলাচল করছে। ফলে বেরীবাধটি আরও অধিকতর বিপদগামী হচ্ছে। এমনতাবস্থায় ভারী যানবহন চলাচল স্থগিত না করতে পারলে সার্বিক অবস্থা খারাবের দিকে অগ্রসর হতে পারে।
এলাকাবাসির একত্বস্বরে প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ড ও সাংসদ খন্দকার মোশশারফ হোসেনের নিকট দাবী করেছে অতি দ্রুত বাধটি সংরক্ষণে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

কোন মন্তব্য নেই